weather

আবহাওয়া: ঢাকা
তাপমাত্রা: ৩০ সে | আর্দ্রতা: ৮৪% more



অভ্র থেকে ইউনিবিজয় প্রত্যাহার

| তারিখ: ২২-০৮-২০১০

ইন্টারনেটে জনপ্রিয় বাংলা সফটওয়্যার অভ্র নিয়ে জটিলতার অবসান হয়েছে। বিনা মূল্যে ব্যবহার করা যায়, ইউনিকোড-সমর্থিত এমন সফটওয়্যার অভ্র থেকে বাংলা কি-বোর্ড লে-আউট ইউনিবিজয় ২০ আগস্ট থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। এখন থেকে অভ্রে আর ইউনিবিজয় পাওয়া যাবে না।চলতি বছরের ১৬ জুন ঢাকায় বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলে অনুষ্ঠিত এক সমঝোতা সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছিল, ২০ আগস্টের মধ্যে অভ্র সফটওয়্যার থেকে ইউনিবিজয় নামের কি-বোর্ড লে-আউট প্রত্যাহার করে নেবেন অভ্রের নির্মাতা অমিক্রন ল্যাবের প্রতিষ্ঠাতা মেহদী হাসান খান। সে অনুযায়ী ইউনিবিজয় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
একই সময়ের মধ্যে কপিরাইট অফিসে দায়ের করা অভ্রের বিরুদ্ধে কপিরাইট ভঙ্গের অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেওয়ার সিদ্ধান্তও হয় ওই সভায়। এ ব্যাপারে বিজয়ের নির্মাতা আনন্দ কম্পিউটার্সের প্রধান নির্বাহী মোস্তাফা জব্বার গতকাল শনিবার প্রথম আলোকে জানান, কপিরাইট অফিসে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানি কার্যক্রম ইতিমধ্যে স্থগিত রয়েছে। এখন অভিযোগটি প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, ‘মেহদী হাসান খান অভ্র থেকে ইউনিবিজয় প্রত্যাহার করে নিয়েছেন, সেজন্য আমি তাঁকে অভিনন্দন জানাই। আমি তাঁর সৃজনশীলতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। অভ্র সফটওয়্যার আরও উন্নত হোক এটাই আমার কামনা।’
কম্পিউটারে বাংলা লেখার কাজে দীর্ঘদিন ধরে বিজয় যেমন ব্যাপক জনপ্রিয়, তেমনই ইন্টারনেটে বাংলা লেখার ক্ষেত্রে নতুন যুগের সৃষ্টি করেছে অভ্র।
প্রসঙ্গত, গত ৪ এপ্রিল একটি দৈনিক পত্রিকায় মোস্তাফা জব্বারের একটি লেখায় অভ্রকে পাইরেটেড বলা হয়। এর পরই বাংলা ব্লগসাইটগুলোতে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। অভ্র সফটওয়্যারে ইউনিবিজয় কি-বোর্ড থাকার কারণে বিজয় কি-বোর্ড লে-আউটের কপিরাইট ও প্যাটেন্ট স্বত্ব লঙ্ঘন হয়—২৫ এপ্রিল কপিরাইট অফিসে এ অভিযোগ আনেন মোস্তাফা জব্বার। এরপর কপিরাইট অফিস মেহদী হাসান খানকে এর কারণ দর্শানোর জন্য চিঠি দেয়। এর জবাবও দেন তিনি। অবশেষে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতার ফলে এই জটিলতার পরিসমাপ্তি ঘটল। —নুরুন্নবী চৌধুরী

পাঠকের মন্তব্য

Khomeni

Khomeni

২০১০.০৮.২২ ০৯:০২
আহারে, অভ্রতে ইউনি বিজয় টা বেশ আনন্দের সাথে ব্যবহার করা যেত। এখন ই্উনি বিজয় লে আউট আছে এমন কোন বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার কোথায় পাই !!

Sumir Sutradhar

Sumir Sutradhar

২০১০.০৮.২২ ১১:৪৮
আশা করি অভ্র আরও অনেকদুর এগিয়ে যাবে। অভ্রর সাথে আছি এবং থাকব...

Koel

Koel

২০১০.০৮.২২ ১২:১৭
ভাষাকে মুক্ত করতে চেয়েছিলেন মেহদী হাসান খান। ব্যবসার কথা না ভেবে সেটা করেছেনও। এটা নিশ্চয়ই তার পুরস্কার।
বলা হয় বাংলাদেশ পাইরেসিতে বিশ্বে ২য়, বিশ্বের সবচেয়ে বড় পাইরেসি বাজার বিসিএস কম্পিউটার সিটি। এর প্রধান জব্বার সাহেব সত্যিই কি কৃতিত্ব না দেখালেন। এদেশে বিন্দুমাত্র পাইরেসি, কপিরাইট-পেটেন্ট আইন ভংগ এসব সমর্থন করবেন না আত্মঘোষিত আলী সমর্থক এই ডিজিটাল বিশেষজ্ঞ। দেশের পথঘাট-লতাপাতা-নদীখাল সবকিছুকে ডিজিটাল বানিয়ে তবে থামবেন।
সাম্প্রতিক পাইরেসি বন্ধে কোর্টের নির্দেশের খবর ফলাও করে প্রচার হয়েছে সারা বিশ্বে। ইন্টারনেটে তার প্রতিক্রিয়া দেখলে লজ্জায় মাথা নিচু করতে হয়।
মেহদী হাসান খানের জন্য বক্তব্য, অনেকের জন্যই প্রথম আলোয় মন্তব্য লেখা সম্ভব অভ্রর কল্যানে, বিজয় সেটা পারে না।

Md. Nazmul Haque

Md. Nazmul Haque

২০১০.০৮.২২ ১৩:০৮
বিজয়ের নির্মাতা আনন্দ কম্পিউটার্সের প্রধান নির্বাহী মোস্তাফা জব্বার সাহেব কম্পিউটারে বাংলা টাইপিং কুাগত করে রেখেছেন।

মাজহারুল ইসলাম

মাজহারুল ইসলাম

২০১০.০৮.২২ ১৩:০৮
অভ্রের মত অতি উন্নত মানের এবং অত্যন্ত সুবিধাজনক সফটওয়্যারটি ফ্রি পাওয়া যায়, অথচ বিজয়ের মত নিচু মানের জিনিস পয়সা দিয়ে কিনতে হয়। সেই বিজয় এখন অভ্রের বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত! সত্যিই আজব এই দেশ।
আমি অভ্রের সাথেই আছি, এবং থাকব।
২০১০.০৮.২২ ১৩:০৮
শাব্বাস মোস্তাফা জব্বার! ক্ষমতার চমৎকার (অপ)ব্যবহার।
২০১০.০৮.২২ ১৩:১৬
অভ্রের মূল ব্যবহার ফনেটিক, ইউনিবিজয় নয়। ইউনিবিজয় লে-আউট মুখস্ত রাখা সহজ কাজ নয়, আর কেনই বা মুখস্ত করতে যাব? যেখানে মুখস্ত না করেই ফনেটিকে লেখা যাচ্ছে।

munna khan

munna khan

২০১০.০৮.২২ ১৬:১৬
আমরা অভ্র চাই, বিজয় চাই না। বিজয় ফ্রেন্ডলি না!

munna khan

munna khan

২০১০.০৮.২২ ১৬:১৯
বিজয় ফ্রেন্ডলি না।তাই আমরা অভ্রকে ভালোবাসি।
২০১০.০৮.২২ ১৬:২০
বিজয় ফ্রেন্ডলি না।তাই আমরা অভ্রকে ভালোবাসি।

Jakir Hossain

Jakir Hossain

২০১০.০৮.২২ ১৬:৪০
একটা ঘটনা বলি: গত মাসে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল- এর একটি কাজে মুন্সিগঞ্জের রায় বাহাদুর শ্রীনাথ ইন্সটিটিউট- এ গেলাম। প্রিন্সপাল মহোদয়কে অভ্র দেখালাম। উনি খুবই পছন্দ করলেন।

vindeshi

vindeshi

২০১০.০৮.২২ ১৬:৪৯
আমার মন্তব্যে কি এমন জিনিস ছিল যে সম্পাদক প্রকাশ করল না, বুঝতে পারলাম না।
যাই হোক বাংলা কী বোর্ড লে- আউট কারো পৈতৃক সম্পত্তি হতে পারে না। একই ধরনের লে আউট তো আগে টাইপ- রাইটারে ব্যবহৃত হত। মোস্তফা জব্বারের লে আউট তো তাহলে আগেই কপিরাইট ভঙ্গ করেছে। আমাদের জাতীয় সম্পত্তির ব্যপারে আবারো কপিরাইট আইনের প্রয়োগ নিয়ে চিন্তাভাবনা করা উচিত। দরকার হলে এটি পরিবর্তন করতে হবে।
আমরা অভ্রর সাথে আছি, থাকবো।

Saad Been Emran

Saad Been Emran

২০১০.০৮.২২ ১৬:৫৩
আমি অ লিখতাছি.।

Repon Biswas

Repon Biswas

২০১০.০৮.২২ ১৬:৫৩
আর নয় বিজয়। আর কেও না থাকলেও আমি অভ্র ব্যাবহার করতে থাকব।

fazla elahe

fazla elahe

২০১০.০৮.২২ ১৮:৫৩
আমার মনে পরে হাবিপ্রবি তে ৩০ মিনিট এর ভাষনে বাংলা ভাষাকে মুক্ত করতে জব্বার সাহেব তার বিশাল পরিকল্পনার কথা বলেছিলেন।এটা মনে হয় তারই অংশবিশেষ।ছি জব্বার সাহেব ছি।

Khan

Khan

২০১০.০৮.২২ ১৯:০৪
অভ্র তুমি এগিয়ে চলো। তোমার জন্য ভালবাসা আছে আপামর সবার। তুমি কেবল কারো কাছে আবদ্ধ হতে শিখনি, তুমি সবার জন্য উন্মুক্ত ! আমরা সবাই তোমাকে ভালবাসি। এই যে দু লাইন লিখলাম, সে তো তোমারই কল্যাণে !!!!!!

Mohammed Khan

Mohammed Khan

২০১০.০৮.২২ ১৯:২৩
জব্বার সাহের যে বাংলা ভাষার জন্য দরদ নাই তাই বুঝা গেল।

shafiul alom

shafiul alom

২০১০.০৮.২২ ২০:৪৩
বেঁচে থাক অভ্র যুগ যুগ ধরে ।

Shahzubair Reza Khan

Shahzubair Reza Khan

২০১০.০৮.২৩ ০১:০৬
অভ্র ও বিজয়ের বিষয়ে সমঝোতার বিষয়টি উৎসাহব্যঞ্জক।

সৌগত ধর চৌধুরী

সৌগত ধর চৌধুরী

২০১০.০৮.২৩ ১৭:৪৮
এই খবরটা পেয়ে খুবই খারাপ লাগছে। যতদিন অভ্র-র পুরোনো ভার্সন থাকবে আমার কাছে, ততদিন ব্যবহার করব। কারণ আমার ইউনিবিজয় কীবোর্ড লেআউট ব্যবহার করতে করতে মুখস্ত হয়ে গেছে।

সকল মন্তব্য প্রদর্শিত হোক



সাইনইন

মন্তব্য প্রদানের জন্য সাইনইন করুন