আলহামদুলিল্লাহ্ ২০০৯ এর ২১ শে ফেব্রুয়ারী একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হলো কাব্য গ্রন্থ “মরু মূর্ছনা“। ৯১ টি কবিতার সমৃদ্ধ এ গ্রন্থটি সংগ্রহ ও পাঠের জন্য সকল পাঠক ও সুধীজনের প্রতি আমন্ত্রণ রাখলাম।

পাওয়া যাচ্ছে-

২১ শে মেলায়- কাকলী প্রকাশনীর স্টলে।

বায়তুল মোকাররমের মেলায়- কামিয়াব প্রকাশনীর স্টলে।

“মরু মূর্ছনা”র ভূমিকা

_________________________________ভূমিকা
প্রশংসার সবটুকুই তাঁর জন্য, যিনি মস্তিষ্ক দিয়েছেন বিধায় ভাবতে পেরেছি, দু’চোখ দিয়েছেন বিধায় দেখতে পেরেছি, দু’হাত দিয়েছেন বিধায় লিখতে পেরেছি, শব্দের শক্তি দিয়েছেন বিধায় জুড়ে জুড়ে গেঁথেছি এ শব্দ-হার।

একখানা সাদা মেঘ যদি আকাশ থেকে আকাশে উড়ে যায়, আমি তার ওপাশটা ভাবতে থাকি। বাতাসে শুঁকে বেড়াই প্রকৃতির গন্ধ এবং মানুষকে দেখি কম; দেখতে চেষ্টা করি মানুষের অন্তর। দৃষ্টির পড়াশোনা যা কিছু হওয়ার হয়ে যায় প্রথম দেখায়, তারপর বাকী থাকে প্রমাণিত বৈশিষ্ট্যের উপপাদ্য অথবা ইতিহাসের ঘুনপোকা ধরা পাতাগুলো। তবু এ এক ধ্রুব সত্য যে, আমি এক চলমান বর্তমান।

কবি কি না তা এখনো নিশ্চিত নই, তবে লিখি- যখন অন্তরে যন্ত্রণা অনুভূত হয়, যখন আনন্দরা অন্তর জুড়ে নেচে উঠে, যখন প্রতিবাদী হয়ে উঠে অন্তরের প্রতিটি রক্তকণা। এ সংগ্রহ সেসবেরই একটি লিখিত ও প্রকাশিত রূপ মাত্র। কখনো পংক্তিমালা এসেছে দায়িত্ববোধ থেকে, কখনো শরীরের অবসান ও আত্মার প্রস্থানের পরও পৃথিবীতে বেঁচে থাকার আকাঙ্খা থেকে, কখনো বা ভালবাসার নির্যাস হয়ে। এবার অপেক্ষা ও দেখার পালা যে, পাঠকের মনের কোন স্থানটি অলংকৃত করতে পারে এ কাব্যকথা।

প্রেরণা হাতে তুলে দিয়েছেন অনেকেই, আবার কতই না হাত পেতেছি এক আঁজলা অনুপ্রেরণার জন্য; ফিরিয়ে দিয়েছে অনেকেই। অংকের ফলাফলে আজ যেন সকলেই ’প্রেরণা’ হয়ে বসে আছেন ’সমান’ এর পরে। তবু যাদেরকে এ অংশে ভুলে গেলে নিজেকেই ভুলে যাওয়া হবে তারা হলেন প্রিয় বাবা-মা (যাঁদের কাছাকাছি থাকা হয়েছে খুব কম সময়, কিন্তু অন্তরে তাঁরাই ছিলেন প্রেরণা), সাইফুল ইসলাম স্যার (যিনি একদা মোহাম্মদ পুর জনতা উচ বিদ্যালয়ে কাব্য-সাহিত্যের খড়িমাটি তুলে দিয়েছিলেন হাতে), “মরু মূর্ছনা” কবিতাটি যে শ্রদ্ধেয়া বোনের প্রেরণাময় বাক্য থেকে সৃষ্ট-“ভাইয়া! বৃষ্টি হচ্ছে, কবিতা লিখুন!”-তিনি, মাসউদ নূর ভাই (যিনি আদ্যোপান্ত দেখে জটিল থেকে জটিলতা ভেঙ্গে সহজিয়ায় সহযোগিতা করেছেন), আসিফ ইকবাল (যাকে প্রায়শঃই দেখি আমার পংক্তিমালা আউড়াচ্ছেন•••এবং “মরু মূর্ছনা” নামটি পছন্দ করে দিয়েছেন) এবং হেলাল ভাই (যিনি কামিয়াব প্রকাশনা থেকে এ প্রকাশে পরিপূর্ণ সহযোগিতা করেছেন); সর্বোপরি অসংখ্য জনার খণ্ড খণ্ড অংশগ্রহণেই রূপ পায় একটি সৃজন, তাদের মাঝে সামহোয়্যারইন ব্লগ কর্তৃপক্ষ ও অগুণতি ব্লগার বন্ধুরা বহুভাবে কৃতজ্ঞ করেছেন।

হোক সবার জন্য; মরু মূর্ছনায় ঝংকৃত হোক সকল মনন, আন্দোলিত হোক নিপীড়িত এবং তৃষা মিটুক পিয়াসীর। এ আকাংখা ও আবেদন টুকু রেখে দিলাম এখানে-

ফজলে এলাহি মুজাহিদ।
মদীনা মুনাওয়ারা, সউদী আরব।

‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

কবিতা সমগ্র

১৯৭৭-২০০৬:

বিজয় দিবস, আসছে ভাঙ্গন,
০০১. গ্রহিত কালো চাঁদ ০০২. ফের ০০৩. বাঁকা চোখের আঘাত.